নীলাদ্রি নিয়োগী
এবার নিশ্ছিদ্র শূন্যতায় ঢুকে যাব
এবং যেহেতু এক উত্তাপহীন আগুন,
বারংবার সর্জন করে আমাকে,
ফলত এক ক্লান্ত এবং জরুরি শরীরী চেতনা,
উপেক্ষিত হতে থাকে অনবরত…
স্মৃতিও কি অস্ত যায়?
বিস্মৃতি কি তাহলে বিচক্ষণতার সূচক?
যাদের প্রবল ঘোরে আঁকিবুকি ক্যানভাসে,
যাদের ডিলিরিয়াম, আসলে মহতী কবিতা;
আর যারা, বেখেয়ালে সুরে সুরে
ছড়িয়ে পড়ে ইতিউতি…
সবাই কি তারা অন্য কোনও মগ্ন-চেতনে
ডুব দিয়ে আসে–
মাঝেসাঝে?
কখনও কখনও মনে হতে পারে
যে, খুচরো আমি-রা অসভ্য ইতর!
তাদের থরেথরে যাচ্ছেতাই শখ,
তাদের ইশারায় চালবাজি, আর–
তাদের স্বপ্ন আসলে ঝলমলে অশ্রাব্য
তবুও,
একটু হলেও,
শূন্যতা বরং অর্থবহ।
ফলত, শরীরী আমি অস্ত যেতেই পারি